প্রিন্ট এর তারিখঃ মার্চ ১১, ২০২৬, ১০:৫৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান পদক প্রদান ছাড়াই শেষ হলো

পরেশ দেবনাথ, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী মধুমেলায় মহাকবি মাইকেল মধুসূদন পদক প্রদান ছাড়াই শেষ হলো। সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় যশোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সাগরদাঁড়ির মধুমঞ্চে গত ২৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারী-২৫) সমাপনী অনুষ্ঠানে মহাকবি মধুসূদন পদক প্রদান ছিলো বিশেষ আকর্ষণ। কিন্তু অনিবার্য কারণ বসতো এবারের মধুমেলায় মধুসূদন পদক প্রদান করা হয়নি।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ফিরোজ সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন, মন্ত্রী পরিষদের সচিব ড. শেখ আব্দুর রশিদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. নেয়ামত উল্ল্যা ভূঁইয়া, জেলা পুলিশ সুপার জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ, যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি এ্যাড. গাজী এনামুল হক, নওয়াপাড়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক কাজী শওকত শাহী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য, কেন্দ্রীয় সমন্নয়ক নুসরাত তাবাসসুম, যশোরের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহবায়ক বি,এম আকাশ হাসান, যুগ্ম সদস্য সচিব সাঈদ সান, কেশবপুরের ছাত্র প্রতিনিধি সম্রাট হোসেন। মধুমেলায় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন, মেলা উৎযাপন কমিটির সভাপতি ও যশোরের জেলা প্রশাসক মোঃ আজাহারুল ইসলাম। উপস্থাপন করেন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী নাজিব হাসান ও যশোর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার সুমাইয়া জাহান ঝুরকা। দর্শনার্থীদের বেশি মন কেড়েছে কৃষিমেলা। বিশেষ আকর্ষণ ছিল, পাইকগাছা, খুলনার প্রতিমা অপেরার যাত্রাপালা-"প্রেমের সমাধি তীরে"।
এর আগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে কেশবপুর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করে, উপজেলা পাঁজিয়ার দেশ সঙ্গীত একাডেমি, শিখরী নটন সম্পদায়, কেশবপুর বসন্ত একাডেমি, সাগরদাঁড়ি আইডিও সংস্থা, মঙ্গলকোট সোনার বাংলা সঙ্গীত একাডেমি, কেশবপুর মোমিনগঞ্জ বাজারের সান মিউজ্যিক্যাল একাডেমি ও কেশবপুর খেলা ঘরের অংশ গ্রহনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়া যশোরের বৈষম্যবিরোধী সাংস্কৃতিক সংসদের সঙ্গীত, যশোর তরুণ সমাজের আবৃত্তি এবং যশোর থিয়েটারের নাটক অনুষ্ঠিত হয়। এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উপস্থাপন করেন, কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রদর্শক মাহবুবুর রহমান ও পাঁজিয়ার রিয়াজ লিটন। মেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের পাশাপাশি প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা ছিল।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন বলেন, 'সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন লাখো মধুভক্তসহ দর্শনার্থী এসেছেন। সফল ও সুন্দরভাবে ঐতিহ্যবাহী এ মধুমেলা সম্পন্ন হয়েছে।
ছবিঃ
স্বাধীন বাংলা নিউজ 24.com limited কর্তৃক প্রকাশিত।