1. news@sadhinbanglanews24.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:১০ অপরাহ্ন

নারীসহ ওসির রেস্টহাউজ কান্ডে যশোর -ঝিনাইদহ জুড়ে তোলপাড়

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫
  • ১৪৪ বার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউজে নারী ঘটিত কান্ডে গ্রামের কাগজের সংবাদে যশোর ঝিনাইদহ জুড়ে তোলপাড় চলছে।গতকালের গ্রামের কাগজের প্রিন্ট ভার্সন যেমন ছিল হট কেক তেমনি অনলাইন ভার্সনেও ছিল লক্ষ লক্ষ ভিউ । আর সংবাদটির উপর খোঁজখবর নিয়ে ঘটনার নায়ক মহেশপুর থানার ওসি সাইফুল ইসলামকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একই সাথে এই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত শুরু করেছে।৩০ জুন যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিদর্শন বাংলো রেস্ট হাউসে স্ত্রী পরিচয়ে অন্য নারীকে নিয়ে অবস্থান করার ঘটনায় স্থানীয়রা নারীসহ ওই ওসি সাইফুল ইসলামকে অবরুদ্ধ করে লাঞ্ছিত করে। তার কাছ থেকে ওয়াবদা এলাকার একটি চক্র মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় বলেও জোর গুঞ্জন ওঠে । আর ওই ঘটনার গোপন তদন্ত শুরু হয় ডিএসবি থেকে।

এরই মধ্যে গ্রামের কাগজ দপ্তরে আসা ঘটনার সময়ের এক ঘন্টা ১৩ মিনিটের একটি সিসিটিভি ফুটেজ আসে। ভিডিও ফুটেজে ঘটনা অনেকটাই পরিস্কার হয় অনৈতিক কর্মকান্ডের । এ নিয়ে অনুসন্ধান করে ৬ জুলাই একটি বস্তুনিষ্ঠ তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশিত হয় গ্রামের কাগজের প্রিন্ট ভার্সন ও অনলাইনে। আর ওই সংবাদ প্রকাশ হলে ৬ জুলাই দৈনিক গ্রামের কাগজ হট কেক হয়ে ওঠে যশোর ঝিনাইদহ মহেশপুরে।

যশোর ঝিনাইদহ পুলিশ প্রশাসনে যেমন শুরু হয় তোলপাড় তেমনি হইচই চলে । চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বত্র আলোচনা ছিল গ্রামের কাগজ ও ওসির রেস্টহাউস কান্ড। আর সংবাদ প্রকাশের পর থেকে শুরু হয় প্রাথমিক তদন্ত। ঝিনাইদহ পুলিশ ও যশোর পুলিশের বিভিন্ন সেক্টরে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার মুখে পড়েন ওসি সাইফুল ইসলাম।

দৈনিক গ্রামের কাগজের সংবাদের সূত্র ধরে সিনিয়র অফিসারগণ খোঁজখবর নেন ৬ জুলাই দিনভর।স্থানীয় চক্র ওসিকে অবরুদ্ধ করে রাখার পর, যশোর কোতোয়ালি পুলিশ ও পাউবোর দায়িত্বশীল অফিসারদের ঘটনাস্থলে যাওয়ার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়ে যায় বলে সূত্রের দাবি।সূত্র মতে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয় ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গত ৩০ জুন রাতে যে নারীকে নিয়ে রেস্ট হাউজে উঠেছিলেন তিনি তার স্ত্রী নন।

এছাড়া ওসি পরবর্তীতে ওই নারীকে তার বান্ধবী বলে পরিচয় দিলেও মহেশপুর থেকে যশোরে এসে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউসে সময় কাটানো চাকরি বিধির ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন বলে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।যে কারণে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদ বিপিএম ৭ জুলাই তাকে মহেশপুর থানা থেকে প্রত্যাহার করেছেন। একসাথে ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন।
এদিকে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র ইমরান জাকারিয়াকে প্রদান করে যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে তারা তদন্ত শুরু করেছেন।

তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হচ্ছেন কোটচাঁদপুর সার্কেল এএসপি মুন্না বিশ্বাস ও ঝিনাইদহের কোট ইন্সপেক্টর।তিন সদস্যের এই কমিটি ইতিমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছেন।তারা ঘটনাস্থল পানি উন্নয়ন বোর্ড, রেস্ট হাউস, যশোর কোতোয়ালি থানা, যশোর ডিএসবি সহ সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেক্টরে কথা বলবেন ।ওই কমিটির প্রতিবেদনের পরে পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে ঝিনাইদহ পুলিশের ঊর্ধ্বতনরা জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

স্বাধীন বাংলা নিউজ 24.com limited কর্তৃক প্রকাশিত।

Theme Customized By BreakingNews