
মাসুম মির্জা ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ঘটনার ১/২ দিন পূর্ব হইতে বর্নিত ঘটনার ভিকটিম অজ্ঞাত ০১ জন মেয়ে(বয়স অনুমান ১৪ বৎসর) খড়মপুর শাহপীর কল্লা শহীদ মাজারে এসে ঘোরাফেরা করে অবস্থান করিতেছিল। ঘটনার কিছুক্ষণ পূর্বে আসামী মোঃ তরিকুল ইসলাম তুষার(২১), পিতা-মোঃ সেলিম, মাতা-ঝরনা বেগম, সাং-গজারিয়া(ডানিস মিয়ার বাড়ির পাশে), থানা-পলাশ, জেলা-নরসিংদী, আসামি মেয়েটিকে মাজারের সম্মুখের মাজারের পুকুরের ঘাটলায় গোসল করিয়ে তাকে মাজারের পুকুর সংলগ্ন মাজারের মহিলাদের কাপড় বদলের খোলা রুমে নিয়ে যায়।
বেশ কিছুক্ষণ হয়ে গেলেও উক্ত রুম থেকে তারা বের হয়ে না আসায় লোকজন খারাপ কিছু টের পাইয়া উক্ত রুমের ভিতরে গেলে পলায়নরত অবস্থায় আসামি সহ মেয়েটিকে আটক করে। তখন স্থানীয় লোকজন উপরোক্ত বিবাদীকে আটক রেখে। মাজারের মহিলারা ভিকটিম মেয়েটিকে সেবা করে এবং খাওয়া দাওয়া করায়। ভিকটিম মেয়েটি ঠিক ভাবে কথা বলতে না পারায় তার পরিচয় বলতে পারে নাই।
পরবর্তীতে মেয়েটি মাজারের মহিলাদের বিশ্রামের ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। ৭/০৭/২০২৫ ইং তারিখ, রাত অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকার সময় মেয়েটিকে মহিলারা ডাকাডাকি করলেও তার কোন সাড়া ছিল না এবং মেয়েটির মৃত্যু হয় মর্মে লোকজন নিশ্চিত হয়। পরবর্তীতে আটক আসামীকে লোকজন ব্যাপক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সে মেয়েটিকে একবার ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করে। পুলিশ সংবাদ পাইয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া আসামীকে হেফাজতে নেয় এবং লাশের সুরতহাল করিয়া ময়না তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এবং
লাশের পরিচয় সনাক্তের চেষ্টা অব্যাহত আছে। লাশ পরিচয় সনাক্তের জন্য ব্যাপক প্রচারনা করা হইতেছে। মাজার কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এজাহার পেয়ে আখাউড়া থানার মামলা নং-১১, তাং-০৮/০৭/২০২৫ইং ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০(সংশোধিত-২০২৫) এর ৯(২) মামলা রুজু করে আসামীকে অদ্যই বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হইয়াছে।
Leave a Reply