
অনলাইন ডেস্ক:
আমদানি শুরুর ২১ দিনের মাথায় বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে প্রায় ৭ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল। আরও বেশকিছু চালবাহী ট্রাক পেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। আমদানিকারকরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
দেশে চালের অস্থিতিশীল বাজার নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ চার মাস পর বাংলাদেশ সরকার সব বন্দর দিয়ে চাল আমদানির অনুমতি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়। আমদানি করা চাল ছাড়করণের জন্য বেনাপোল কাস্টমস হাউজে চার থেকে পাঁচটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কাজ করছে। বন্দরের ৩১ নম্বর শেডে আমদানি করা চালের খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে।
তথ্য অনুযায়ী, ২১ কার্যদিবসে প্রায় ৭৫টি চালানের বিপরীতে ২০৩টি ট্রাকে করে এসব মোটা চাল বেনাপোল বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে।
বেনাপোল আমদানি রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মহসিন মিলন জানান, পূজার বন্ধের কারণে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় চালবাহী বেশকিছু ট্রাক ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে অপেক্ষমাণ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল আমদানি হওয়ায় চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। আমদানি অব্যাহত থাকলে সামনের দিনগুলোতে চালের দাম কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর অনেক প্রতিষ্ঠান এলসি খুলেছে। ইতোমধ্যে নতুন চালান আসতে শুরু করেছে। বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, ভারত থেকে ৭৫টি চালানে ২০৩টি ট্রাকে করে ৭১০০ মেট্রিক টন চাল গত ২১ আগস্ট থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বেনাপোল বন্দরে আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
Leave a Reply