
চৌগাছা প্রতিনিধি : যশোরের চৌগাছা শহরে একরাতে ছয়টি দোকানে চুরি হয়েছে।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত সময় ধরে এসব দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। সকালে বাজারের ব্যবসায়ীরা ও ক্ষতিগ্রস্থ দোকানীরা বাজারে গিয়ে দেখেন দোকান ঘরের ভেন্টিলেটার কেটে ও সাটার ভেঙ্গে এসব দোকান থেকে নগদ টাকা ও মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে চোরেরা।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চৌগাছা বাজারের মহশেপুর রোডের দোকানগুলো বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা বাড়িতে চলে যায়। বুধবার সকালে ব্যবসায়িরা বাজারে এসে দোকানে চুরির বিয়টি দেখতে পায়। চোরেরা আলম স্টোর, মুজিদ স্টোর ও হাজরাখানা স্টোরের ভেন্টিলেটার কেটে দোকানের ভিতরে প্রবেশ করে নগদ প্রায় ১ লাখ টাকা ও মালামাল নিয়ে যায়। বধুয়া বস্ত্রালয়, নাহিদ ক্লোথ স্টোর এবং শামিম কালেকশ এর সাটার ভাঙ্গে চোরেরা। এদের মধ্যে শামিম কালেকশ থেকে নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
চোরেরা ছয়টি দোকান থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা ও মালা মাল চুরি করেছে বলে জানা গেছে।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী আলম স্টোরের মালিক আলম কুমার জানান, রাত ১০ টা ২ টার মধ্যে তার দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে তার ধারণা। তার দোকান থেকে নগদ প্রায় ৪০/৫০ হাজার টাকা সহ বেশ কিছু সিগারেট নিয়ে গেছে। হাজরাখানা স্টোরের মালিক জানায় তার দোকান থেকেও একই পরিমান চুরি হয়েছে।
সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে ভোরে একটি দোকানে চুরির দৃশ্য দখা যায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েকমাস ধরে চৌগাছা বাজারে বেশ কয়েকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব চুরির ঘটনা নিয়মিত ঘটলেও অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
কয়েকদিন আগে শহরের রবিউল, মুজিদ ও লিটন স্টোর থেকেও একই ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে। এতে বাজারের ব্যবসায়িরা চুরি আতঙ্কে রয়েছে। একই সাথে নাইট গার্ড ও টহল পুলিশের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্যবসায়িরা।
চৌগাছা বাজার ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ার বলেন, আমি এখন ব্যস্ত রয়েছি এ বিষয়ে পরে কথা বলবো।
চৌগাছা থানার ওসি আনোর হোসেন বলেন, ঘটনা শুনেছি। এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply