
নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত উদ্ভাবক মিজানুর রহমান (৫৪) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার বিকেলে কারাগারের কার্পেট তৈরির পুরাতন গোডাউনের সিলিংয়ের লোহার বিম’র সাথে রশি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। মিজানুর রহমান শার্শা উপজেলার আমতলা গাতিপাড়ার আক্কাস আলীর ছেলে। তার লাশ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তিনি তার শ্যালক সুজায়েতুজ্জামান প্রিন্স হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি। ২০০৪ সালের ২০ আগস্ট পোড়াবাড়ি নারায়নপুর গ্রামের প্রিন্স হত্যার শিকার হয়। এ ঘটনায় যশোরের আদালত উদ্ভাক মিজানুর রহমান মিজানসহ ৪জনকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করে।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার আবিদ আহমেদ জানান- হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত
মিজানুর রহমান কপোতাক্ষ ৩ নম্বর কক্ষের বন্দি ছিলেন। তার কয়েদি নম্বর-৮৭০৯। মিজানুর রহমান শুক্রবার বিকেলে কারাগারের কার্পেট তৈরির পুরাতন গোডাউনের এক অংশ ভেঙে ভিতরে যায়। এরপর সিলিংয়ের লোহার বিম’র সাথে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। ঘটনাটি বুঝতে পেরে কারারক্ষীরা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কি কারণে মিজানুর রহমান আত্মহত্যা করেছেন এটা তাদের অজানা। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাকিরুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে মিজানুর রহমানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার বহনকারী কারারক্ষীদের তথ্যমতে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান- কারাগারে কয়েদি আত্মহত্যার ঘটনাটি জানা নেই।
Leave a Reply