1. news@sadhinbanglanews24.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বুকে ধানের শীষ লাগিয়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেয়ার পরামর্শ হাসনাতের ‘ভোট উপহার’ চাইলেন তারেক রহমান নেছারাবাদে যুবদল নেতা গ্রেফতার সুন্দরবনের বনদস্যু ও জলদস্যু দমন হবে আমার প্রথম কাজ : সোমনাথ দে কালিয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬: বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত সন্ত্রাস চাঁদাবাজি জমি দখল দূর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন সোমনাথ দে  কালীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দু’টি অফিস ভাংচুর ককটেল নিক্ষেপ দ্রুতই নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে: প্রেস সচিব যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি অমিতের যশোরে ওয়ান শুটারগানসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী মারুফ আটক

অভয়নগরে ৭৪টি অবৈধ কাঠের চুল্লি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৯ বার

যশোর প্রতিনিধি : যশোরের অভয়নগরে অবৈধ চুল্লি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিল প্রশাসন। সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৭৪টি চুল্লি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়। উপজেলার সিদ্দিপাশা ইউনিয়নে ভৈরব নদীর পার ঘেষে গড়ে উঠা অবৈধ চুল্লি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস অংশ গ্রহন করে । দীর্ঘদিন ধরে অবাধে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরী করে আসছিল প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় একটি চক্র। বিভিন্ন বনজ ও ফলদ গাছ কেটে এসব চুল্লিতে কাঠ সরবরাহ করা হচ্ছিল। এসব চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য। একইসঙ্গে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। এ অবস্থায় অবৈধ এসব চুল্লি উচ্ছেদের দাবি ছিল স্থানীয়দের।
পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন, ‘বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভয়নগরে সিদ্দিপাশাতেই ২০০টির বেশি কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে। বিশাল আকৃতির চুলা তৈরি করে বছরের পর বছর কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরিতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। আজকে অভিযানে আমরা প্রাথমিকভাবে৭৪টি চুলা ভেঙে ফেলা হয়েছে। পরিবেশ দূষিত করে এ ধরণের ব্যবসা করার সুযোগ নেই। অবৈধ এ ব্যবসা বন্ধে অভিযান অব্যহৃত থাকবে।’
স্থানীয়রা জানান, অভয়নগরের বুক চিড়ে বয়ে গেছে ভৈরব নদ। এই নদের দুপাশে সিদ্দিপাশা, প্রেমবাগ, চেঙ্গুটিয়া, চাঁদখালি ও পেরুলি গ্রামেও রয়েছে শত শত কাঠের চুল্লি। চুল্লিতে অবাধে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে কয়লা। বিভিন্ন বনজ ও ফলদ গাছ কেটে এসব চুল্লিতে কাঠ সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য। অনুমোদনহীন জনবসতি এলাকায় জমি নষ্ট করে এসব কারখানা স্থাপন করায় স্থানীয়রা শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন।
আব্দুস সালাম নামে স্থানীয় একজন জানান, চুল্লি মালিকরা কারও কথার তোয়াক্কা করেন না। রাস্তার পাশে কয়লা তৈরির কারখানা স্থাপন করে সারাদিন খোলা জায়গায় কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছেন। একদিকে বনজ সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, অপরদিকে সৃষ্ট ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টজনিত নানা ব্যাধিতে ভুগছে স্থানীয়রা। এতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বিভিন্ন গাছপালায় মড়ক দেখা দিয়েছে। গাছের ফল-মুকুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত এসব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মানববন্ধন করে আসছিলেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের দাবির পেক্ষিতে সোমবার অভিযান চালায় প্রশাসন। দ্রুত বাকী চুল্লিগুলোও গুড়িয়ে দেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।
চুল্লি ব্যবসায়ীদের তথ্য মতে, তাদের উৎপাদিত কয়লা অভিজাত হোটেল, রড কারখানায় ব্যবহারের পাশাপাশি মশার কয়েল, ধুপকাঠি, জুয়েলারি ও কার্বন বানানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে তারা বছরে প্রায় দেড়শ কোটি টাকা লেনদেন করেন। #

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

স্বাধীন বাংলা নিউজ 24.com limited কর্তৃক প্রকাশিত।

Theme Customized By BreakingNews