সোহেলরানা ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তাবাসসুম খাতুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কালীগঞ্জ থানা পুলিশের উদ্যোগে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য, খুনের কারণ এবং উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন আলামত সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করা হয়।
উল্লেখ্য, নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর তাবাসসুম খাতুন (৪) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বারবাজারের বাদুরগাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তাবাসসুম বারবাজারের বাদে ডিহি গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে কুষ্টিয়া জেলা থেকে ঘাতক তাহেরকে আটক করে। আটককৃত তাহেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে এবং হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে।
কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান (সার্কেল এসপি) প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, ঘাতকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করেছে।
তিনি আরও জানান, হত্যার পেছনের কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেললাল হোসেন জানান, এটি একটি নৃশংস ও মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড পুলিশ ইতোমধ্যে আসামিকে আটক করেছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দ্রুত মামলার চার্জশিট দাখিল করা হবে। এদিকে, এই নির্মম হত্যাকাণ্ড এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।