1. news@sadhinbanglanews24.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত আইএমএফের ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি স্থগিত

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪১৩ বার

অর্থনীতি ডেস্ক:

নির্বাচিত সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি দিচ্ছে না আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনা শেষে সংস্কার কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেলে তবেই কিস্তির অর্থ ছাড় করা হবে।

আইএমএফের এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৮০ কোটি ডলারের ঋণ কিস্তি আপাতত আটকে যাচ্ছে। সংস্থাটি বলেছে, চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির ধারাবাহিকতা এবং আগামী সরকারের নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনো অর্থ ছাড় করবে না।

সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার ফাঁকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে বৈঠকে এই বার্তা দেয় আইএমএফ।

গভর্নর জানিয়েছেন, ডিসেম্বরে কিস্তি ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচনের আগে আইএমএফ তাতে রাজি নয়। তবে রিজার্ভ পরিস্থিতি ভালো, ডলার স্থিতিশীল। আইএমএফ-এর অর্থ ছাড়া দেশ চলবে।

অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আইএমএফ যদি কঠোর শর্ত আরোপ করে, বাংলাদেশ তা মেনে নেবে না। দেশ এখন আগের মতো সংকটে নেই।”

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে কিস্তি স্থগিতের মাধ্যমে আইএমএফ আসলে সংস্কার বাস্তবায়নে চাপ সৃষ্টি করছে। এতে বৈশ্বিকভাবে একটি বার্তা যায় যে বাংলাদেশ আইএমএফের শর্ত মানছে না। নতুন সরকার আসার পর তাদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়ে পরে কিস্তি ছাড়তে চায় সংস্থাটি।

এর আগে ২০০১ সালেও নির্বাচন পূর্ব সময়ে আইএমএফ অনুরূপ চাপ প্রয়োগ করেছিল। পরবর্তীতে ২০২২ সালে সংস্থার শর্তে জ্বালানি ও মুদ্রানীতিতে কড়াকড়ি আরোপ করে সরকার তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ায়, যা মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির কারণ হয়।

ঋণের ষষ্ঠ কিস্তির শর্ত পর্যালোচনায় ২৯ অক্টোবর আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরে আসছে। দুই সপ্তাহ তারা সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবে এবং পরে সদর দফতরে মূল্যায়ন প্রতিবেদন দাখিল করবে। এই প্রতিবেদনই কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, দেশের বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২১৪ কোটি ডলার। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় ইতিবাচক, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রিত এবং চলতি হিসাবেও ঘাটতি নেই।

২০২২ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপে বাংলাদেশ সরকার আইএমএফ-এর কাছে সহায়তা চায়। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করে আইএমএফ, যা পরে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ পাঁচ কিস্তিতে ৩৬০ কোটি ডলার পেয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

October ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  

স্বাধীন বাংলা নিউজ 24.com limited কর্তৃক প্রকাশিত।

Theme Customized By BreakingNews