1. news@sadhinbanglanews24.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যশোরে ওয়ারেশ আলী আনসারী খাজার জানাজা সম্পন্ন কালিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ঈদ মেলার ডাক সম্পন্ন, সর্বোচ্চ দর ১২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা অপহরণের ২১ দিন পর দস্যুদের কবল থেকে  মুক্তিপণে মুক্তি মিলল ১৪ জেলের  এখনো জিম্মি ১৬ জেলে বন বিভাগের অভিযানে প্রায় এক বছরে সুন্দরবনে ৩৫২ টি ট্রলার ৭৫ হাজার ফুট ফাঁদ সহ ৩১৪ জন আটক কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জনের কারাদণ্ড কালীগঞ্জ মটর মালিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত অনুমোদন না থাকাই ঝিনাইদহ সুইট হোটেলে জরিমানা ট্রাকের চাপায় ছেলের সামনে মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু রূপদিয়া ভোক্তার অভিযান, ২০ হাজার টাকা জরিমানা

যে গ্রামে হেলিকপ্টারে চড়ে যেতে হয়

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ২২৬ বার

অনলাইন ডেস্ক,

আল্পস পর্বতের কোলে ইটালির বিচ্ছিন্ন এক গ্রাম পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হলেও সেখানে বাস করা খুব কঠিন। শুধু সিড়িঁ ভেঙে অথবা হেলিকপ্টারে চড়ে সেখানে পৌঁছানো সম্ভব। এমন পরিবেশেই বাস করছে কয়েকটি পরিবার।

নামে আল্পস পর্বতের শেষ বিচ্ছিন্ন গ্রাম অবস্থিত। সেখানে মাত্র নয় জন মানুষ পাকাপাকি বাস করেন। রেস্তোরাঁর মালিক এলেনা গুসমেরোলি ছোট সেই সমাজের স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত।

তাঁর রেস্তোরাঁয় পৌঁছানোর দুটি উপায় রয়েছে। কোমের হ্রদের তট থেকে প্রায় ২,৬০০ সিঁড়ি ভেঙে দুই ঘণ্টা ধরে উপরে উঠে সেখানে পৌঁছাতেই তিনি ভালোবাসেন। এলেনা বলেন, ‘‘উপত্যকায় আমার যে ওজন ও ক্রোধ জমা হয়, উপরে উঠতে থাকলেই সেগুলি কমতে থাকে৷ সেই জায়গা এত সুন্দর! কোডেরায় পৌঁছলেই হালকা বোধ করি।”

হেলিকপ্টারে চেপেও সেখানে পৌঁছানো যায়। তবে প্রতিটি উড়ালের মাসুল প্রায় ৩০০ ইউরো। তাই শুধু নিজের ও গ্রামের অন্যান্যদের জন্য খাদ্য ও অন্যান্য পণ্য আনার কাজেই তিনি সেই পরিষেবা ব্যবহার করেন৷ মাত্র দুই মিনিটেই সব কিছু ৮২৪ মিটার উচ্চতায় কোডেরা গ্রামে পৌঁছে যায়।

গ্রামে পৌঁছানোর কোনো পাকা রাস্তা নেই। আলপ্স পর্বতের উপর গোটা বছর ধরে বিচ্ছিন্ন এমন জনপদ আর অবশিষ্ট নেই।

পিসনোলিসের ছাগলগুলি পাহাড়ের কোলে চরে বেড়ায়৷ ৪৫ বছর বয়সি এই ব্যক্তি কোডেরার সবচেয়ে কনিষ্ঠ বাসিন্দা। তিনি পরিবর্তন চান৷ ডেভিস বলেন, ‘‘আমি রাস্তা চাই৷ গ্রামটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সেটা প্রয়োজন। আমাদেরকে জাদুময় নিসর্গ অথবা খ্রিস্টমাসের পোস্টকার্ড হিসেবে দেখলে চলবে না।”

কারণ বিচ্ছিন্ন এই জনপদের জীবনযাত্রার মধ্যে রোমান্টিকতার তেমন কোনো স্থান নেই। ডেভিসের মতে, যাদের সেখানে পাকাপাকি থাকতে হয় না, শুধু তাদেরই এমনটা মনে হয়। তিনি মনে করেন, ‘‘পর্যটকদের জন্য এটা এক স্বর্গরাজ্য। কিন্তু আমার কাছে গ্রামটি মরে যাচ্ছে। কারণ সেখানে কীই বা করার আছে? কোন কাজ করা যায়? একটা রাস্তা থাকলে পাথর ভাঙা যেত, কাঠ কাটা যেত৷ কিন্তু সেটা ছাড়া সেগুলি কীভাবে উপত্যকায় আনা সম্ভব? এখনকার মতো ঘাড়ে চাপিয়ে?”

তা সত্ত্বেও পাহাড়ের প্রতি ভালোবাসার টানে ডেভিস নিজের ছাগলগুলির কাছেই থাকতে চান।

হেলিকপ্টার থেকে মালপত্র নামানো হয়েছে৷ এলেনাকে এবার সেগুলি রেস্তোরাঁয় নিয়ে যেতে হবে। রাস্তা না থাকায় ঘাড়ে করে ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে পরিবহণের উপায় নেই।

তবে এখনো রাস্তা তৈরির কোনো পরিকল্পনা না থাকায় কোডেরা আরো বহুকাল পৃথিবীর দূর প্রান্তের এক প্রায় বিচ্ছিন্ন গ্রাম হিসেবে টিকে থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

July ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

স্বাধীন বাংলা নিউজ 24.com limited কর্তৃক প্রকাশিত।

Theme Customized By BreakingNews