1. news@sadhinbanglanews24.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যশোরে ওয়ারেশ আলী আনসারী খাজার জানাজা সম্পন্ন কালিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী ঈদ মেলার ডাক সম্পন্ন, সর্বোচ্চ দর ১২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা অপহরণের ২১ দিন পর দস্যুদের কবল থেকে  মুক্তিপণে মুক্তি মিলল ১৪ জেলের  এখনো জিম্মি ১৬ জেলে বন বিভাগের অভিযানে প্রায় এক বছরে সুন্দরবনে ৩৫২ টি ট্রলার ৭৫ হাজার ফুট ফাঁদ সহ ৩১৪ জন আটক কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জনের কারাদণ্ড কালীগঞ্জ মটর মালিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত অনুমোদন না থাকাই ঝিনাইদহ সুইট হোটেলে জরিমানা ট্রাকের চাপায় ছেলের সামনে মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু রূপদিয়া ভোক্তার অভিযান, ২০ হাজার টাকা জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসের ড্রাইভার হানিফ তথা পিতা-পুত্রের দাপট

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৯৯ বার

মাসুম মির্জা ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি:

অফিসের ড্রাইভার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি পিতা ও পুত্র হওয়ায় তাদের দাপটে অন্যান্য কর্মীরা অসহায়। সরকারি বাড়ি ভাড়া পেয়েও অফিসের কক্ষ দখল করে বসবাস করাটা তাদের কোন ব্যাপার না।

প্রধান সহকারী মহিউদ্দিন এর  যুগ সাজসে বিভিন্ন গুদামের কর্মকর্তা ও চালকল মালিকদের কাছ থেকে উৎকোচ আদায় করাটা তাদের জন্য নিত্য দিনের ঘটনা এমনই অভিযোগ এসেছে এই প্রতিবেদকের কাছে। সূত্রে জানা যায়, ১৫-২০ বছর আগে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের মোঃ হানিফ মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে ড্রাইভার পদে যোগদান করে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পরে।

অফিসের প্রধান কর্তার ড্রাইভার হওয়ায় তাকে সবাই সমীহ করে চলে। ড্রাইভার হানিফ কে টাকা দিলে বছরের পর বছর একই স্থানে অনেকদিন চাকরি করা যায়  দিনরাত সব সময় অফিসে অবস্থান করায় তার সাহসটা একটু বেশীই। তার কাছে সবাই জিম্মি।

৩ বছর পরপর বদলী সিষ্টেম থাকলেও ৮-১০ বছর ধরে একই স্থানে কর্মরত অফিসের প্রধান সহকারী মোঃ মহিউদ্দিন’র যোগ সাজসে সকল অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে সে অনায়াসে। ড্রাইভারের কথা ছাড়া প্রধান সহকারী কোন কাজই করেনা। শুধু তাই নয়, কিশোরগঞ্জ জেলার বাসিন্দা হয়েও স্থানীয় ভাবে দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক কর্মী নেয়ার ক্ষেত্রে লক্ষাধিক টাকা প্রধান সহকারী কে ঘুষ দিয়ে নিজপুত্র সাজিদুর রহমান সাজু কে ভবনের ৩য় তলার সার্কিট হাউজে পরীচ্ছন্নতা কর্মী -হিসাবে ভাগিয়ে নেয়।

কর্মরত স্থানীয় ব্যাক্তি কে কৌশলে অন্যস্থানে পাঠিয়ে, পত্রিকায় কোন প্রকার বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে অন্য জেলার লোক অর্থাৎ কিশোরগঞ্জের সাজু কে (পুত্র)কে দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক নিয়োগ দেওয়াই স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।  ভবনের নীচ তলার ২টি কক্ষের একটিতে ১০৩ নম্বর কক্ষে পিতা হানিফ মিয়া এবং আরেকটিতে পুত্র সাজু দখল করে অফিসের ভিতরই রাত্রি যাপন করে। পিতার সাথে সাথে পুত্রের দাপটেও অফিসের কর্মীরা কুণ্ঠাসা।

এতে ডিসি ফুড অফিসের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। .   আরো জানা যায়, জেলা অফিসের অধীনস্থ ১০টি খাদ্য গুদামের নিরাপত্তাকর্মী ও পরিচ্ছতা কর্মীদেরকে বড় কর্তার ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন সময় টাকা আদায় করেছে। এমনকি ডিসি ফুড’র নাম ভাঙ্গিয়েও বিভিন্ন গুদামের কর্মকর্তাদের কাজ থেকে সে অর্থ আদায় করেছে।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশেষ করে বান্ছারামপুর উপজেলার উজানচর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নামের আদি অক্ষর “ন” আশুগঞ্জের সাবেক খাদ্য নিয়ন্ত্রক নামের আদি অক্ষর “র”  ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নামের আদি অক্ষর”স”  এবং নাসিরনগরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নামের আদি অক্ষর “ম” সহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বড় কর্তার নামে টাকা আদায়ের বিষয়টা সকলেই জানে। জেলায় খাদ্য গুদামের কর্মকর্তাদের মাসিক মিটিংয়ে অন্যান্য গুদামের কর্মকর্তারা এসে প্রতিবারই ড্রাইভার হানিফ কে বকশিস দিতে হয়, নইলে ডিসি ফুড’র কাছে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা হয়।

জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের চাল কল মালিকগণ কোন কারণে অফিসে গেলেই তাকে শুধু শুধু টাকা গুজে দিতে হয়। অফিসের প্রধান সহকারী ও ড্রাইভার সকল কর্মকান্ড চালায় বলে এ ড্রাইভার অসাধ্য সকল কাজ সাধন করে চলে। এ বিষয়ে ড্রাইভার হানিফ মিয়া মিডিয়া প্রতিনিধি কে বলেন,বেতনের সাথে বাসা ভাড়া পাই। তারপরও আমি অফিসে থাকি সকল স্যারেই জানে। ২০০৯ইং সালে চাকুরীতে যোগদানের পর থেকে ১৬ বছর যাবৎ ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ডিসি ফুডের ড্রাইভার কর্মরত আছি। ১৬ বছর যাবত এক বারও বদলি হয়নি।

উল্টো সাংবাদিক কে প্রশ্ন ছুড়ে দেন ? আপনি এত কিছু জানার দরকার আছে ? এত কিছু জানার কারন কি ? এমন তথ্য বহু সাংবাদিক কে দিছি ? বহু সাংবাদিক তথ্য নিছে ? আমি অফিসে থাকি,তাহা অফিসাররা বুঝবে ? এ বিষয়ে জেলা খাদ্য অফিসের প্রধান সহকারী মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, আমি ৭ বছর ধরে এই অফিসে চাকুরী করছি। আমি কোন ঘুষ লেনদেনের সাথে জড়িত না।  ড্রাইভার হানিফ বেতনের সাথে বাড়ি ভাড়া পায়। সে পরিবার নিয়ে থাকে না, একা থাকে ।

আলাদা একটা রুমে থাকে। ডিসি ফুডের এখতিয়ার,আলাদা একটা রুম আছে,এই জন্য দিয়ে রাখছে ।  এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ আব্দুল্লাহিল শাফি কে একাধিক বার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  

স্বাধীন বাংলা নিউজ 24.com limited কর্তৃক প্রকাশিত।

Theme Customized By BreakingNews