1. news@sadhinbanglanews24.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

প্যারোলে মুক্তির জন্য বাগেরহাটে আবেদন করলেও নির্দেশনা আসেনি যশোরে !

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৭০ বার

স্বাধীন বাংলানিউজ ডেস্ক:

নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির জন্য বাগেরহাটে আবেদন করা হলেও সে আবেদন যশোরে পৌঁছায়নি। ‘আমলাতান্ত্রিক জটিলতায়’ আবেদন আটকে থাকায় পরিবারের সদস্যরা সাদ্দামের মৃত স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে আসেন যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে।

শনিবার সন্ধ্যারাতে জেলগেটেই মৃত স্ত্রী সন্তানকে শেষ বিদায় জানান যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দাম। স্ত্রী সন্তানের মৃত্যুর পরও সাদ্দামকে প্যারোলে মুক্তি না দেওয়ায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও নয়মাসের শিশুসন্তান নাজিফের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সাদ্দাম বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছেন। তিনি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা সভাপতি।\

সাদ্দামের স্বজনেরা অভিযোগ করেন, স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পর সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির জন্য তারা বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু কোনো সাড়া না পাওয়ায় তারা শনিবার স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসেন। এখানেই তাদের শেষ বিদায় জানান সাদ্দাম। বিষয়টি গণমাধ্যম এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ফেসবুকে ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের মামা মো. হেমায়েত উদ্দিনের একটি আবেদনও ছড়িয়ে পড়ে। বাগেরহাট জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর এই আবেদনে হাজতি জুয়েল হোসেন সাদ্দামের স্ত্রী ও শিশু সন্তানের মৃত্যুর বিষয়টি উল্লেখ করে যশোর কারাগারে আবেদনটি প্রেরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু এই অনুরোধ যশোরের জেলা প্রশাসক ও কারা কর্তৃপক্ষ পায়নি।

রোববার যশোর জেলা প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘বাগেরহাট কারাগার থেকে গত ১৫/১২/২০২৫ তারিখে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আগত বন্দি জুয়েল হাসান সাদ্দাম নামক ব্যক্তির স্ত্রী ও সন্তান মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যশোর কিংবা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ বরাবর প্যারোলে মুক্তির কোনো ধরনের আবেদন করা হয়নি। বরং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পরিবারের বক্তব্য থেকে জানা যায়, সময় স্বল্পতার কারণে তাদের পারিবারিক সিদ্ধান্তে প্যারোলে মুক্তির আবেদন না করে জেল গেটে লাশ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে উলি¬খিত বন্দির স্ত্রীকে লিখিত চিঠি, কারাগারে বন্দি অবস্থায় ছবি দেখা যাচ্ছে যা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সাথে সংশি¬ষ্ট নয়। এছাড়া আবেদনের পরেও প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়নি, এধরনের তথ্যও মিথ্যা; কারণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যশোর বরাবর প্যারোলে মুক্তি সংক্রান্ত কোনো আবেদনই করা হয়নি। বরং পরিবারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে মানবিক দিক বিবেচনায় কারা ফটকে লাশ দেখানোর ব্যবস্থা করে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

স্বাধীন বাংলা নিউজ 24.com limited কর্তৃক প্রকাশিত।

Theme Customized By BreakingNews