
মাহাবুর রহমান বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ছিল মনশ্রী (বিন্দাধুতি)-র জন্মদিন। আর এই বিশেষ দিনটিকে একটু ভিন্নধর্মী ও মানবিক আয়োজনে উদযাপন করেছেন তার বাবা, মুঞ্জু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিঠুন কুমার। সাধারণত জন্মদিন মানেই কেক কাটা, আনন্দ-উৎসব ও পারিবারিক আয়োজন। তবে সেই প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে মিঠুন কুমার তার সোনামনির জন্মদিনে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তিনি অসহায়, গরিব ও দুস্থ মানুষের মাঝে সেহেরি বিতরণের উদ্যোগ নেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার সোনামনির জন্মদিনে আল্লাহ/ঈশ্বরের কাছে তার সুস্থতা, সুন্দর ভবিষ্যৎ এবং একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার দোয়া করি। জন্মদিন মানেই শুধু কেক কাটা নয়, এর সঙ্গে মানবতার ছোঁয়াও থাকতে পারে। তাই আজ তার জন্মদিন উপলক্ষে অসহায় গরিব দুস্থদের মাঝে সেহেরি বিতরণ করলাম।” তিনি আরও জানান, মানবিক সংগঠন ‘’মুঞ্জু হিউমিনিটি ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তবে নিজের সন্তানের বিশেষ দিনে এমন উদ্যোগ নিতে পেরে তার হৃদয় ভরে গেছে।
মিঠুন কুমার বলেন, “আমি চাই আমার সন্তানরা শুধু ভালো মানুষ নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানুষ হয়ে বড় হোক। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন, যেন সে মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বড় হতে পারে এবং ভবিষ্যতে সমাজের কল্যাণে কাজ করতে পারে।” মনশ্রীর এই জন্মদিনের আয়োজন শুধু একটি পারিবারিক উদযাপন নয়, বরং মানবতার এক উজ্জ্বল বার্তা হয়ে রইলো। মাহাবুর রহমান বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ছিল মনশ্রী (বিন্দাধুতি)-র জন্মদিন।
আর এই বিশেষ দিনটিকে একটু ভিন্নধর্মী ও মানবিক আয়োজনে উদযাপন করেছেন তার বাবা, মুঞ্জু হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিঠুন কুমার। সাধারণত জন্মদিন মানেই কেক কাটা, আনন্দ-উৎসব ও পারিবারিক আয়োজন। তবে সেই প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে মিঠুন কুমার তার সোনামনির জন্মদিনে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তিনি অসহায়, গরিব ও দুস্থ মানুষের মাঝে সেহেরি বিতরণের উদ্যোগ নেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার সোনামনির জন্মদিনে আল্লাহ/ঈশ্বরের কাছে তার সুস্থতা, সুন্দর ভবিষ্যৎ এবং একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার দোয়া করি। জন্মদিন মানেই শুধু কেক কাটা নয়, এর সঙ্গে মানবতার ছোঁয়াও থাকতে পারে। তাই আজ তার জন্মদিন উপলক্ষে অসহায় গরিব দুস্থদের মাঝে সেহেরি বিতরণ করলাম।” তিনি আরও জানান, মানবিক সংগঠন ‘’মুঞ্জু হিউমিনিটি ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তবে নিজের সন্তানের বিশেষ দিনে এমন উদ্যোগ নিতে পেরে তার হৃদয় ভরে গেছে। মিঠুন কুমার বলেন, “আমি চাই আমার সন্তানরা শুধু ভালো মানুষ নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানুষ হয়ে বড় হোক। সবাই আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন, যেন সে মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বড় হতে পারে এবং ভবিষ্যতে সমাজের কল্যাণে কাজ করতে পারে।” মনশ্রীর এই জন্মদিনের আয়োজন শুধু একটি পারিবারিক উদযাপন নয়, বরং মানবতার এক উজ্জ্বল বার্তা হয়ে রইলো।
Leave a Reply