
নেছারাবাদ (পিরোজপুর) সংবাদদাতা:
সবার আগে দল, দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমার বাবা বলতেন, রাজনীতি হলো মানুষের জন্য দেওয়ার, পাওয়ার জন্য নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
শুক্রবার (২২ আগষ্ট) বিকেলে ঢাকার কেআইবি’র হলরুমে ঢাকাস্থ নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপি পরিবারের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বরূপকাঠি পৌর-বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব কাজী মো. কামাল হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সহ-সভাপতি পিরোজপুর জেলা বিএনপি ও ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি, আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন, এছাড়াও ঢাকাস্থ নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপি পরিবারের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, “পিরোজপুর-২ আসন এখনও উন্নয়নের দিক দিয়ে অনেক পিছিয়ে। বিশেষ করে নেছারাবাদ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের এলাকার যোগাযোগ অত্যন্ত খারাপ। পাশাপাশি ভাণ্ডারিয়া ও কাউখালীর অবকাঠামোগত উন্নয়নের বেহাল চিত্র বিরাজ করছে। আমি চাই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করতে। এজন্যই পিরোজপুর-২ আসনের জন্য দলের কাছে মনোনয়ন চাইবো।”
এ সময় তিনি আরও বলেন,“দলের ভাবমূর্তি ও ঐক্য ধরে রাখতে আমরা সবসময় কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছি। অন্যায় যেই করুক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তবে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, আর দলের চেয়ে দেশ বড়। সেকারণে দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তাকে বিজয়ী করতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।”
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অনারারি কনর্সাল ইয়েমেন ও তাস গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক, ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইফুল হক সাইফ, জুলফিকার খন্দকার পারভেজ, কাজী শাহিনুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান খোকন, মাহমুদ হোসেন শাওন প্রমুখ।
সভায় ঢাকায় বসবাসরত নেছারাবাদ উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সাবেক নেতা, সাবেক জনপ্রতিনিধি, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। তারা এলাকার উন্নয়ন ও রাজনৈতিক ঐক্য নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, আলহাজ্ব আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা, পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক এমপি ও মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল ইসলাম মনজুরের ছেলে। ২০০৮ সালে পিরোজপুর-২ আসনে মো. নুরুল ইসলাম মনজুর নির্বাচন করেছিলেন। তাকে ২০১৮ সালে বিএনপি থেকে পিরোজপুর-২ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে আসনটি শরিক দল লেবার পার্টিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
Leave a Reply