অপহরণের ২১ দিন পর দস্যুদের কবল থেকে মুক্তিপণে মুক্তি মিলল ১৪ জেলের এখনো জিম্মি ১৬ জেলে
আপডেট টাইম :
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
১৪
বার
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
বনদস্যুদের হাতে ২১ দিন জিম্মি থাকার পর অবশেষে কাঙ্খিত চাহিদা ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি মিলল ১৪ জেলের এখনো জিম্মি রয়েছে ১৬ জেলে। মঙ্গলবার ৩ মার্চ দুপুরে এ সকল জেলেরা মুক্তি পেয়ে তাদের কর্মস্থল দুবলার জেলে পল্লী সহ বিভিন্ন চরে ফিরে এসেছে। ফিরে আসা ১৪ জন নারকেলবাড়িয়া শেলার চরের শুঁটকি ব্যবসায়ী মিজান মালি, শাহিনুর মালি, হাবিব ও রবি মহাজনের জেলে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। তবে এখনো বনদস্যদের হাতে আলোরকোলের রফিকুল, খালেক মিয়া ও মংলার করিম মহাজনের ১৬ জেলে দস্যুদের কাছে জিম্মি রয়েছেন বলে মহাজনদের একটি সূত্র জানিয়েছে।
উল্লেখ্য পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের শুটকি পল্লীর বিভিন্ন এলাকায় দুর্ধর্ষ করিম ও শরিফ বাহিনীর সদস্যরা শুটকি পল্লীতে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে হামলা চালিয়ে একটি ট্রলারসহ ১০ জেলেকে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ২০টি ট্রলার থেকে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছিল বনদস্যু জাহাঙ্গীর ও সুমন বাহিনী।
৪ মার্চ বিকেলে শেলার চরের শুঁটকি ব্যবসায়ী আরিফ হোসেন মিঠু জানান, দস্যুরা ৪ মহাজনের ১৪ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে। এখনো দুই থেকে তিন মহাজনের ১৬ জেলে জিম্মি রয়েছেন। তারা আরো জানায় মুক্তি পেতে প্রত্যেক জেলের জন্য ৭০-৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিতে হয়েছে দস্যুদের। এছাড়া শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের উত্তর সাউথখালী গ্রামের শামসের পহলান নামের এক জেলে ৬০ হাজার টাকা মুক্তিবন্দ দিয়ে গতকাল ৪ মার্চ রাতে বাড়ি ফিরে এসেছে। তিনি জানান আস্তানায় যারা জিম্মি আছে তারা অনেক কষ্টের মধ্যে রয়েছে।
দুবলারচর শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিল্টন রায় অপহৃত জেলেদের মহাজনদের বরাত দিয়ে বলেন, চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা না পাওয়ায় সংঘবদ্ধ দস্যুরা যে কোনো সময় শুঁটকি পল্লীতে আবারো হানা দিতে পারে এমনটি আশঙ্কা করছে ওই চরের জেলেরা।
গত কিছুদিন ধরে দস্যু দমনে সুন্দরবনে মংলা কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে কম্বিং অপারেশন শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে জাহাঙ্গীর বাহিনীর এক সদস্যকে অস্ত্র গোলা বারুদ আটক করতে পারলেও শরিফ – করিম বাহিনী ও সুমন বাহিনীর হাতে বন্দি থাকা কোন জেলেকে এখনো উদ্ধার করতে পারেনি কোস্টগার্ড।
যে কারণে শরণখোলা রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকার আস্থানায় অবস্থানরত দস্যুরা এখনো জেলেদের হুমকি দিয়ে চলছে। তাই দস্যু দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বড় ধরনের অভিযান করার জন্য শরণখোলা রেঞ্জের সকল ব্যবসায়ীরা ঊর্ধ্বতম কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান
Leave a Reply