• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরগুনা জেলা পরিষদ ডাকবাংলো থেকে দুই মেয়েসহ মায়ের মরদেহ উদ্ধার ঝিনাইদহের শৈলকুপা চালকের অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগে সরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক আটক নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে বাংলাদেশ সীমান্ত হত্যা নিয়ে সরকারকে আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দামুড়হুদায় মোবাইল কোর্টে মাদক মামলায় দু’জনের কারাদণ্ড বাগেরহাটে খানজাহান আলীর মাজারের দীঘি থেকে সরানো হলো কুমির বাগেরহাটে খান জাহান আলী মাজারের কুমির সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সুন্দরবনে মহেশপুরে অস্ত্র ও গুলিসহ একজন আটক বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে ঝিনাইদহে র‌্যালি ও আলোচনা সভা ঝিনাইদহ সীমান্তে গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

বাগেরহাটে খানজাহান আলীর মাজারের দীঘি থেকে সরানো হলো কুমির

আ: মালেক রেজা, শরণখোলা (বাগেরহাট) : / ৪৫ Time View
Update : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান আলীর (র.) মাজারের দীঘিতে থাকা একমাত্র কুমিরটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। গত ৩ দিন আগে কুমিরটির আক্রমণে এক শিশুর মৃত্যুর পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জন নিরাপত্তার স্বার্থে প্রাণীটি সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
৩ জুন বুধবার সকাল থেকেই বন বিভাগসহ প্রশাসনের লোকজন মাজার এলাকায় উপস্থিত হয়। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে দিঘীর পূর্ব পাড়ে কুমিরটির দেখা মেলে। পরে কুমিরটি ধরার কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে খাবার দেখিয়ে বেঁধে ফেলা হয় কুমিরকে। এরপর দীঘি থেকে তুলে গাড়িতে করে খুলনায় নিয়ে যায় বন বিভাগ।

বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. আতিয়া খাতুন জানান, জননিরাপত্তার স্বার্থে মাজারের দীঘির কুমিরটি অপসারণের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে প্রাণীটি। কুমিরের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

এর আগে গত ১ জুন রাতে মাজারের দিঘীর কুমিরের আক্রমণে ৮ বছর বয়সী শিশু ফাতেমার মৃত্যুর পর প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে। ভবিষ্যতে কেউ যেন মাজারে কুমিরের আক্রমণের শিকার হতে না পারে সেই উদ্যোগের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। তারই অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার প্রশাসন কুমিরটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়। উল্লেখ্য বাগেরহাটের পীরে খান জাহান আলী (রহ:) আলাইহি এই দিঘীটি খনন করার পর সেখানে কালাপাহাড় ও ধরা পাহাড় নামে দুটি কুমির দীঘিতে ছেড়ে দেন। সেই থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ওই কুমিরের বংশধর বেঁচে ছিল বলে জানা যায়। পরে ভারত থেকে দুইটি কুমির এনে দিঘীতে রাখা হলেও দুই তিন বছর আগে একটি মারা যায়। বাকি কুমিরটি শিশু ফাতেমা নিহত হওয়ার ঘটনার পর অপসারণ করা হলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা