জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংকট, বিদ্যুতের ‘ভূতুড়ে বিল’, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে সচিবালয়ের সামনে পৌঁছালে পুলিশ মিছিলটির অগ্রযাত্রা আটকে দেয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির।তিনি বলেন, তারা কাউকে অসম্মান করতে নয়, বরং জনগণের দাবি সরকারের কাছে পৌঁছে দিতেই সচিবালয়ে এসেছেন। তার ভাষ্য, একই কর্মসূচি শুধু ঢাকায় নয়, সারা দেশেই একযোগে পালিত হচ্ছে এবং তাদের আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।
বিরোধীদলীয় নেতা সরকারের দায়িত্বশীল কোনো প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে ঘটনাস্থলে এসে দাবিপত্র গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের পক্ষে দাবিগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে চান তারা। সরকার এসব দাবি বাস্তবায়ন করতে পারলে তাকে স্বাগত জানানো হবে, তবে ব্যর্থ হলে ধারাবাহিকভাবে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরও জানান, সরকারের প্রতিনিধি আসার জন্য তারা ১০ মিনিট অপেক্ষা করবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ উপস্থিত না হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।এ সময় উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের অনুরোধে আপাতত কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
১১ দলীয় জোটের এই কর্মসূচিতে জোটভুক্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তাদের মূল দাবির মধ্যে ছিল জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংকট নিরসন, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল প্রত্যাহার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।