বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টি নিম্নচাপে পরিণত হলেও উত্তাল রয়েছে সাগর। আর এ কারণে শতশত ফিশিং ট্রলার সাগরে টিকতে না পেরে সুন্দরবনসহ উপকূলে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। ইতিমধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩নং সতর্ক সংকেত জারী করেছে এবং নিম্নচাপ টি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যা এলাকায় আঘাত হানতে পারে বলে জানা গেছে।
শরণখোলা উপজেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মেম্বার বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এখন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। উত্তাল সাগরে টিকতে না পেরে কয়েকশ ফিশিং ট্রলার শরণখোলা,মহিপুর, খেপুপাড়া, নিদ্রাসখিনা, পাথরঘাটা, বরগুনা, চরদুয়ানীর উপকূলসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
শরণখোলার একটি ফিশিং বোর্ডের মালিক তহিদুল তালুকদার বলেন, সাগরে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় ফিশিং ট্রলার সাগরে না গিয়ে দুই দিন ধরে রায়েন্দা মৎস্যঘাটে নোঙর করে আছে। সাগর সংলগ্ন দুবলার মেহেরআলী লাইট হাউসের কর্মী সবুজ মিয়া মোবাইল ফোনে জানান, সাগর খুবই উত্তাল। ঝড়ো হাওয়ার সাথে থেমে থেমে প্রবল ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সাগরে মাছ ধরতে না পেরে ফিশিং ট্রলার গুলো সুন্দরবনের দুবলা, কচিখালি, মেহের আলী, আলোর কোল, ডিমের চর সহ বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ আশ্রয় অবস্থান নিয়েছে।
বরগুনা জেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে উপকূলসহ বিভিন্ন চরে আশ্রয় নিয়েছে। তবে এ বছরে সাগরে মাছের পরিমাণ কম হওয়ায় মহাজন সহ জেলে পরিবার গুলো অনেকটা সমস্যার মধ্যে পড়েছে।বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী জেলেপল্লী দুবলা ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেষ্ট রেঞ্জার মিলটন রায় জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগরে কোন ফিশিং ট্রলার টিকতে না পেরে সুন্দরবনের বিভিন্ন চরসহ উপকূলে আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমানে সাগর উত্তাল ও ধমকাসহ ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে।তারা জেলেদের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয় থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।
সম্পাদক প্রকাশক : জাহাঙ্গীর হোসেন
বার্তা সম্পাদক মিশন আলী
প্রধান উপদেষ্টা : সহকারী অধ্যাপক আনিসুর রহমান
অফিস: ৯ নম্বর সেক্টর উত্তরা ঢাকা ।
যোগাযোগ : ০৯৬৫৮-১৩৩৬৩৪
স্বাধীন বাংলা নিউজ 24.com লিমিটেড কর্তৃক প্রকাশিত।