• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝিনাইদহে ছাত্রদলের মামলায় গ্রেফতার এনসিপির দুই নেতার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ঝিনাইদহে বাস চাপায় মোটরসাইকেল চালক ও অটোভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর শৈলকুপায় বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, আহত ৫ শরণখোলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বিএনপি নেতার মৃত্যু চামড়া পাচার রোধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি চুয়াডাঙ্গায় গলায় মাংস আটকে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু  বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে জিম্মি ২ জেলে মুক্ত জিম্মি ১০ বৃষ্টির মধ্যেই শোলা‌কিয়ায় ঈদের বৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দোয়া ও সমর্থন চাইলেন লিপ্টন

গাংনীতে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মেহেরপুর প্রতিনিধি: / ৩২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

মেহেরপুরের গাংনীতে অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত “মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর” সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে গাংনী উপজেলার জুগিন্দা বাজারে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, গাংনী থানা বিএনপির সাবেক সদস্য ও ধানখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সম্প্রতি জুগিন্দা মোড় এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি সামাজিক ও পারিবারিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে এসব সংবাদের কোনো সামঞ্জস্য নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
নুর ইসলাম জানান, গত শুক্রবার বাহাগুন্দা গ্রামের মোহন আলীর স্ত্রী আলপনা খাতুনকে জুগিন্দা গ্রামের এক ব্যক্তির সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়দের আহ্বানে রোববার জুগিন্দা মোড়ে একটি সামাজিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়, যাতে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হয়।
তিনি বলেন, স্থানীয়দের অনুরোধে তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানান। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সামাজিকভাবে বিষয়টির সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি নিজেই গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জকে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। পরে গাংনী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত ব্যক্তিদের বক্তব্য শোনেন।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, পুলিশের সামনেই আলপনা খাতুন স্বেচ্ছায় ওই ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে তিনি এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ বা মামলা করবেন না বলেও জানান। পরে ঘটনাস্থলে আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি বলে দাবি করা হয়।
নুর ইসলাম অভিযোগ করেন, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ একটি পুরোনো মামলাকে সামনে এনে সাম্প্রতিক ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। “ধর্ষণ মামলার বাদীকে মারধর”, “আটকে রেখে বিচার” ও “আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় বাধা প্রদান” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গ্রামের বিএনপিকর্মী সিরাজের বিরুদ্ধে আলপনা খাতুন গাংনী থানায় শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয়। মামলার নম্বর ৩২/২০২০ এবং বর্তমানে মামলাটি রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
তার দাবি, বর্তমানে ওই মামলায় বাদীর হাজিরার কোনো বিষয় নেই এবং ওইদিন আদালতে আলপনার হাজিরা ছিল কি না সে সম্পর্কেও তাদের কোনো ধারণা ছিল না। অথচ একটি মহল পুরোনো মামলাটিকে সামনে এনে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
নুর ইসলাম বলেন, “আমিসহ যারা সেখানে উপস্থিত ছিলাম, তারা কারো প্রতি জোরজবরদস্তি, নির্যাতন বা অবৈধ কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলাম না। বরং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছি।”
তিনি প্রশাসন, সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনার সত্যতা যাচাই করা উচিত। একইসঙ্গে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা প্রচারণা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা