বেপরোয়া গাড়ির আঘাতে আহত ব্যক্তির অভিযোগে প্রাইভেটকার জব্দ করে বাদিকে না জানিয়ে মিমাংসা করে গাড়ি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে বিচার প্রার্থী বাদী জানার আগেই থানায় মিমাংসা করে গোপানে জব্দকৃত প্রইভেট কার ছেড়ে দিয়েছে কালীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার আ,ফ,ম মনিরুজ্জামান।
সড়ক দ‚র্ঘটনায় আহত মো. মোশারেফ হোসেনের অভিযোগপত্র ও তার সাথে কথা বলে জানা যায়, মে মাসের ১০ তারিখে নিজ বাড়ি সদর উপজেলার চেওনিয়া গ্রাম থেকে মোশারেফ হোসেন ও তার ভাই আইয়ুব হোসেন বাইসাইকেল যোগে বিষয়খালি গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন । পথিমধ্যে খড়িখালি বটতলা নামক স্থানে পৌছালে একটি সাদা রঙের বেপরোয়া দ্রুতগামি প্রাইভেটকার (ঢাকা- মেট্রো-গ- ৩৭-৮৭৮০) বাইসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে দুই সহোদর রাস্তা থেকে ছিটকে পড়েন। ঘটনার পর প্রাইভেটকার টি স্থানীয়রা আটক করে । সে সময় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায় । ঘটনায় আইয়ুব হোসেন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রেরন করলে , ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে আইয়ুব হোসেনকে বাড়িতে আনেন তার পরিবার।
গাড়ি আটকের পর ভুক্তভোগী মো. মোশারেফ হোসেন কালীগঞ্জ থানায় গিয়ে গাড়ি সনাক্ত করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন । অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন এস আই আ,ফ,ম মনিরুজ্জামান। কিছুদিন পর ভুক্তভোগী জানতে পারেন থানায় মিমাংসা হয়ে গেছে তিনি কিছু জানেন না।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মোশারেফ বলেন, বিচারের জন্য গেলাম থানায় অথচ পরে জানলাম আমার বিচার হয়ে গেছে আমি কিছু জানি না।
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার এস আই আ,ফ,ম মনিরুজ্জামান প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে ওসির সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। একই সাথে প্রতিবেদককে থানায় এসে বাদিকে মামলা করার পরমর্শ দেন ।
উল্লেখিত থানাই সেবা নিতে আসা বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের সাথে অস্বজন্নমূলক আচরণ, স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে খারাপ ব্যবহার সহ বিভিন্ন অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।
ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন মুঠোফোনে বলেন , গাড়ির ব্যাটারি বসে যাচ্ছিল , যে কারনে গ্যারেজে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া থানায় মিমাংসা কেনো করবো । তাদের আসতে বলেন । একজন সাংবাদিক বা সাধারন নাগরিক হিসাবে আপনিও আসেন তাদের সাথে ।