• বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কালীগঞ্জে রাতের অন্ধকারে অসহায় কৃষকের পানের বরজ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা  বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী প্রধান সহ ২৭ জন অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ আত্মসমর্পণ মালিয়াট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান অধ্যাপক মুসা করিম অভয়নগরে ট্রাক-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ১ যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্যের কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও শার্শায় ইউপি সদস্যসহ ৪ জন আটক,ইয়াবা ও মোবাইল উদ্ধার আব্দুল গফুর একাডেমীর ফল উৎসব ও ফল বিতরণ কোটচাঁদপুর পৌরসভার ৪৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা কালীগঞ্জে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

রামনগরে জমি নিয়ে বিরোধ, বিদ্যালয়ের মাঠে বেড়া দেওয়ার অভিযোগ

স্বাধীন বাংলানিউজ: / ২৩ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের মাঝ দিয়ে বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে শুক্রবার (৩ জুলাই) এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণ ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ভাটপাড়া গ্রামের মৃত হাজারী লাল সরকারের দুই ছেলে—মৃত রবীন্দ্রনাথ সরকার ও নারায়ণ চন্দ্র সরকার—মোট ৩৩ শতাংশ জমি দান করেন। তাদের মধ্যে একজন ১৭ শতাংশ এবং অপরজন ১৬ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে দান করেন।

অভিযোগ রয়েছে, ভাটপাড়া মৌজার ৯৮১ ও ৯৮২ দাগের ৩৩ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে দান করা হলেও বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ করা হয় একই মৌজার ৯৮০ দাগের জমিতে। দানকৃত জমির পরিবর্তে অন্যত্র জমি দেওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের নামে জমি রেজিস্ট্রি হলেও এখনো নামজারি সম্পন্ন হয়নি বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টির সমাধান না হওয়ায় অর্ণীল সরকারের দুই ছেলে দীপংকার সরকার ও সুশান্ত সরকার তাদের দাবি করা জমির অংশে বিদ্যালয়ের মাঠের মাঝ দিয়ে বেড়া দিয়েছেন।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তবে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) তৌহিদুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠে বেড়া দেওয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা