বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর হামলায় রিমন নামে এক কিশোর গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগে মামলা করেছিলেন তাঁর বাবা মো. মামুন। এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর ছেলের শরীরে ৩৫ থেকে ৪০টি গুলি লেগেছিল। পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র ও রড দিয়ে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম করা হয়।
তবে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, আহত হওয়া তো দূরের কথা, কথিত ভুক্তভোগী ছিলেন ঘটনাস্থল থেকে ১২৭ কিলোমিটার দূরে; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায়। তিনি নিজেও স্বাধীব বাংলানিউজ প্রতিবেদকের কাছে তা স্বীকার করেছেন। এদিকে অভিযোগ মিথ্যা হলেও হয়রানি হতে হয়েছে এ মামলায় অভিযুক্ত অনেক সাধারণ মানুষকে।
৬৯ আসামির মধ্যে বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। মামলার বাদী বলছেন, আসামিদের কাউকেই তিনি চেনেন না। তাঁকে দিয়ে মামলাটি করানো হয়েছে। যার বিরুদ্ধে মামলা করানোর অভিযোগ, সেই বিএনপি নেতা বলছেন, মামলায় ভুল আসামির নাম ঢুকিয়েছেন আইনজীবী। যদিও আইনজীবী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।